পেটের

পেটের

পেটের অসুখে ভুগতে থাকলে মিষ্টির বদলে খেজুর খাওয়া ভালো।তাতে শরীরের ক্ষয় পূরুন হয়।
২.ডায়বেটিস রোগীর খেজুরের সিরাপ খেলে উপকার পাবেন।এক গ্লাস পানিতে দুটো খেজুর সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খেজুরসহ সেই পানি খেতে হবে।তাবের রোগীরাও এ পানি  খেলে উপকার পাবেন।
৩.দীর্ঘদিন রোগভাগে শরীর দুর্বল হয়ে পড়লে বা দূর্বল বাচ্ছাদের খেজুরের সিরেয়াপ খাওয়ালে শরীরে বল পাওয়া যায়। এক গ্লাস পরিস্কার পানি দু-তিনটে খেজুর ভিজিয়ে রেখে পরে চটকে নিলেই খেজুরের সিরাপ খেতে হবে।মদ খেয়ে কেউ মাতলামি করলে খেজুরের সিরাপ খাওয়ালেই নেশা কমে যায়।

প্রতিদিন খাব,অল্প খাবঃ যে কেও প্রতিদিন দু-চারটে করে খেজুরের সিরাপ খেতে পারেন।তবে এক সজ্ঞে বেশি পরিমাণ না খাওয়াই ভালো,সকালে বা বিকেলের টিফিনে খেজুর খাওয়া যায়।কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে রাতে খাবারের প্র দু’খনা খেজুর খেলে পেট পরিস্কার হয় ।
কলার

কলার

ডায়াবেটিস রোগে অস্বাভাবিক খিদের উপ্সর্গ হলে পাকা কলা দিয়ে মেটানো যায়।
২। যক্ষা রোগীদের একটানা জ্বর থাকলে পাকা কলা খাওয়ানো যেতে পারে।
৩। পাকা কলা মোমবাতির আগুনে অল্প গরম করে নিয়ে একটু গোলমরিচের গুঁড়ো ছড়িয়ে খেলে হাঁপানি রোগীদের উপকার মিলবে।
৪। পেটের পুরানো ব্যাথায় বা মহিলাদের বিভিন্ন রোগের উপশমে পাকা কলা খাওয়া যেতে পারে।
৫। সকালে খালিপেটে কলাগাছের শিকড়ের রস এক চামচ করে কদিন খেলে পেটের কেঁচো কৃমি বেরিয়ে যায়।

৬। পাকা বিচিকলা চটকে অল্প পানিতে মিশিয়ে ছেঁকে নিয়ে সেই সকালে ও বিকালে দু”চামচ করে খেলে শুকনো কাশি সেরে যায়।

Disqus Shortname

Pages